Advertisement

ইপিজেড থানা পুলিশ কর্তৃক ভিকটিম মাহফুজুর রহমান (২৪) এর ক্লুলেস হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত প্রধান ০৩ জন আসামী গ্রেফতার ও ঘটনার রহস্য উদঘাটন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :    |    ১৮:২৭, মে ২৩, ২০২০   |    230




ইপিজেড থানা পুলিশ কর্তৃক ভিকটিম মাহফুজুর রহমান (২৪) এর ক্লুলেস হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত প্রধান ০৩ জন আসামী গ্রেফতার ও ঘটনার রহস্য উদঘাটন।


গত ০২/০৫/২০২০ ইং তারিখ সকালে ভিকটিম মাহফুজুর রহমান (২৪), পিতা-আব্দুর রহমান (৭০), সাং-কমলনগর, হানিফ ভুঁইয়া বাড়ী, ডাকঘর-বোর্ড স্কুল, থানা-সোনাইমুড়ি, জেলা-নোয়াখালী এর মৃতদেহ ইপিজেড থানাধীন নিউমুরিংস্থ শাহীনশাহ টাওয়ারের পাশে বুলু মাঝির মায়ের দোতলা বিল্ডিং এর সিঁড়িতে থাকা লোহার গ্রিলের উপরের পাতাটনের সাথে নাইলনের রশি দিয়া গলায় ফাঁস দিয়া ঝুলানো অবস্থায় পাওয়া যায়। ভিকটিমের পিতা আব্দুর রহমান (৭০)’কে উক্ত ঘটনার সংবাদ দিলে তিনি ঘটনাস্থলে আসেন এবং জিজ্ঞাসাবাদদে জানান যে, তিনি ও তাহার ছেলে ভিকটিম মাহফুজুর রহমান (২৪) ইপিজেড থানাধীন নিউমুরিংস্থ শাহীনশাহ টাওয়ারের পাশে বুলু মাঝির মায়ের ত্রিপল ঘেড়া দেওয়া দোকানে পুরাতন কাপড়ের ব্যবসা করেন। উক্ত দোকানে শার্টার না থাকায় ভিকটিম মাহফুজুর রহমান (২৪) প্রতিদিন কাপড় বিক্রি শেষে রাতে উক্ত দোকানে ঘুমাইত। বাদী তাহার বর্তমান ঠিকানা-ইপিজেড থানাধীন ব্যাংক কলোনীস্থ রফিক মুন্সির টিনশেড ভাড়া ঘরে বসবাস করে। রমজান মাস শুরু হওয়ার পর থেকে বাদী প্রতি রাত ০৯.০০ ঘটিকার দিকে দোকানে গিয়া ভিকটিমকে রাতের ও সেহেরির খাবার দিয়া আসিত। প্রতিদিনের ন্যায় ০১/০৫/২০২০ ইং তারিখ বাদী বর্তমান ঠিকানার বাসা হইতে খাবার রান্না করিয়া রাত অনুমান ০৯.৩০ ঘটিকার সময় দোকানে গিয়া তাহার ছেলে ঘটনায় নিহত মাহফুজুর রহমান (২৪)’কে রাতের ও সেহেরির খাবার দিয়া আসে। গত ০২/০৫/২০২০ ইং তারিখ সকাল অনুমান ০৯.৪৫ ঘটিকার সময় বাদী সংবাদ পান যে, ভিকটিম মাহফুজুর রহমান (২৪)’কে অজ্ঞাতনামা লোকজন হত্যা করিয়া ইপিজেড থানাধীন নিউমুরিংস্থ শাহীনশাহ টাওয়ারের পাশে বুলু মাঝির মায়ের দোতলা বিল্ডিং এর সিঁড়িতে থাকা লোহার গ্রিলের উপরের পাতাটনের সাথে নাইলনের রশি দিয়া গলায় ফাঁস দিয়া ঝুলাইয়া রাখিয়াছে। বাদী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হইয়া তাহার ছেলে মাহফুজুর রহমান (২৪)’কে ইপিজেড থানাধীন নিউমুরিংস্থ শাহীনশাহ টাওয়ারের পাশে বুলু মাঝির মায়ের দোতলা বিল্ডিং এর সিঁড়িতে থাকা লোহার গ্রিলের উপরের পাতাটনের সাথে নাইলনের রশি দিয়া গলায় ফাঁস লাগানো মৃত অবস্থায় ঝুলে আছে এবং নিহতের মুখে কাপড় গুজানো ও বায়ুরোধী পিচ্ছিল পলিথিন স্কসটেপ দ্বারা শক্তভাবে মুখ আটকানো, দুই পা রশি দ্বারা বাঁধা এবং ডান হাত রশি দিয়া বাঁধা ছিল। এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় ইপিজেড থানার মামলা নং-০১, তারিখ-০২/০৫/২০২০ ইং, ধারা-৩০২/৩৪ দঃ বিঃ রুজু করা হয়।

#উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর), সিএমপি, চট্টগ্রাম জনাব হামিদুল আলম, বিপিএম, পিপিএম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর), সিএমপি, চট্টগ্রাম জনাব আরেফিন জুয়েল, সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর), সিএমপি, চট্টগ্রাম জনাব মোঃ কামরুল হাসান মহোদয়দের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মীর মোঃ নূরুল হুদা এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে, ইপিজেড থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জনাব মোহাম্মদ হোছাইন এর নেতৃত্বে ইপিজেড থানার অফিসার এসআই/ নজরুল ইসলাম, এসআই/ মোঃ জিল্লুর রহমান, এসআই/ রাজীব দে, এএসআই/ রুবেল দাশ গুপ্ত, এএসআই/ মোঃ মনিরুজ্জামান মনির, এএসআই/ মোঃ হান্নান হোসেন, এএসআই/ মোঃ হান্নান উদ্দিন’দের সমন্বয়ে একটি চৌকশ টিম গঠন করা হয়। যেহেতু হত্যা মামলাটি একটি ক্লুলেস একটি হত্যা মামলা ছিল। উক্ত টিম ইপিজেডের অফিসারগণ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দিক নির্দেশনা মোতাবেক ইপিজেড থানা ও আশপাশ এলাকায় নিরবিচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালনা করে। প্রাথমিক অবস্থায় এই ক্লুলেস হত্যাকান্ডের তদন্তে কিছুটা বেগপেতে হলেও গোপন সংবাদ ও আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গত ১৬/০৫/২০২০ ইং তারিখ ভিকটিম মাহফুজুর রহমান (২৪)’কে হত্যাকান্ডের সহযোগী আসামী মোঃ ইয়াসিন (২০), পিতা-আবুল কালাম, মাতা-ইসমত আরা বেগম, সাং-হামিদুল হক মুহুরী পাড়া, কৈয়ারবিল ইউপি, থানা-চকরিয়া, জেলা-কক্সবাজার, পিতার বাড়ী-খিল ছাদেক, কৈয়ারবিল ইউপি, থানা-চকরিয়া, জেলা-কক্সবাজার, বর্তমানে-সানু বিল্ডিং, কলসীদীঘি রোড, থানা-ইপিজেড, জেলা-চট্টগ্রামকে গ্রেফতার করা হয়। আসামী মোঃ ইয়াছিন (২০)’কে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় সে ফ্রিপোর্ট মোড়স্থ কলসি দীঘির মুখে হোটেল আয়াত-এ প্লেট বয় হিসেবে চাকুরী করে। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনায় জড়িত মূল আসামী মোঃ হৃদয় ও মোঃ সজিবের সহিত মিলে হত্যাকান্ডের ঘটনাটি সংঘটন করিয়াছে বলিয়া স্বীকার করে। তাহার তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৭/০৫/২০২০ ইং তারিখ হত্যাকান্ডের মূল হোতা আসামী মোঃ হৃদয় (২৬), পিতা-মোঃ বেলাল, মাতা-সাজেদা বেগম, সাং-ওয়াশীল চৌধুরী পাড়া, ফেলা গাজীর বাড়ী, থানা-বন্দর, জেলা-চট্টগ্রাম’কে গ্রেফতার করা হয়। আসামী মোঃ হৃদয় (২৬)’কে গ্রেফতার পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদের সে জানায় সে বিভিন্ন তাজা মাছের ব্যবসা তৎপরবর্তীতে ভ্যানগাড়ী যোগে বিভিন্ন জায়গায় পেঁয়াজ বিক্রয় করে। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে হত্যাকান্ডের রহস্যের জট খুলতে শুরু করে এবং সে সহ আসামী মোঃ  সজীব (৩২) ও ইয়াছিন মিলে হত্যাকান্ডটি সংঘটন করে বলিয়া স্বীকার করে। এরপর আসামী মোঃ হৃদয় (২৬) এর তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৯/০৫/২০২০ ইং তারিখ হত্যাকান্ডের ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ও মাস্টারমাইন্ড আসামী মোঃ  সজীব (৩২), পিতা-সাহাব উদ্দিন, মাতা-রুবি আক্তার, সাং-ফ্রিপোর্ট ওয়াসিল চৌধুরী পাড়া, ঝনক প্লাজার পিছনে, থানা-বন্দর, জেলা-চট্টগ্রামকে গ্রেফতার করা হয়। আসামী মোঃ  সজীব (৩২) জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামী মোঃ  সজীব (৩২) ভাসমান ব্যবসা-বাণিজ্য করে। আসামী মোঃ হৃদয় আসামী সজিবের আপন চাচাতো ভাই। আসামী ইয়াছিনের সাথে হোটেল আয়াতে পরিচয় হওয়ার সুবাদের আসামী মোঃ সজিব ও মোঃ হৃদয়ের সাথে ভাল বন্ধুত্ব হয়। আসামী মোঃ হৃদয় (২৬) গত ২৯/০৪/২০২০ ইং তারিখের পূর্বে ফ্রিপোর্ট মোড়স্থ মাহাফুজের দোকানে কাপড় কেনাকাটা করার জন্য যায়। সেখানে আসামী মোঃ হৃদয়ের সাথে ভিকটিম মাহফুজের কাপড় কেনাকাটা নিয়া বাকবিতান্ড ও তর্কাতর্কি হয়। ভিকটিম মাহাফুজুর রহমান (২৪) আসামী মোঃ হৃদয়কে অপমানিত করিলে আসামী মোঃ হৃদয় বাসায় গিয়া ঘটনার বিষয়টি আসামী মোঃ  সজীব (৩২)’কে জানায়। তখন আসামী মোঃ  সজীব (৩২) আসামী মোঃ হৃদয়কে বলে বিষয়টি সে দেখবে। গত ২৯/০৪/২০২০ ইং তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৬.৪৫ ঘটিকার সময় ইফতারের পরপর আসামী মোঃ  সজীব (৩২) ও আসামী মোঃ হৃদয় বাসা হইতে বাহির হইয়া ঝণক প্লাজার সামনে ভাসমান দোকানে চা ও সিগারেট খাওয়ার সময় উভয়ের পূর্ব পরিচিত আসামী মোঃ ইয়াসিন (২০) সেখানে আসে। আসামী মোঃ ইয়াছিনও চা খায়। এরপরে তিনজন আসামী হেঁটে হেঁটে ঝনক প্লাজার পাশে আলী প্লাজার সামনে নিরিবিলি জায়গায় যায়। আসামী মোঃ হৃদয় আসামী মোঃ  সজীব (৩২) ও মোঃ ইয়াসিনকে বলে যে, কাপড় দোকানদার মাহফুজকে মারতে হবে। আসামী মোঃ ইয়াসিন (২০) কারণ জানতে চাইলে আসামী মোঃ হৃদয় বলে যে, কাপড় কেনাকাটা নিয়া হৃদয়ের সাথে মাহফুজের ঝামেলা হয়েছে। তখন আসামী মোঃ সজিব ও মোঃ ইয়াছিন হৃদয়ের কথায় সম্মতি দেয়। পরের দিন অর্থাৎ ৩০/০৪/২০২০ ইং তারিখ ইফতারের পর আসামী মোঃ সজিব ও হৃদয় চা খাওয়ার জন্য আলী প্লাজার সামনে গেলে সেখানে ইয়াছিনকে দেখে। তিন জনে মিলে চা সিগারেট খায় এবং আসামী মোঃ সজিব আসামী মোঃ হৃদয়কে ভিকটিম মাহাফুজের দোকানে পাঠায় মাহাফুজ কি করতেছে তাহা দেখার জন্য। আসামী মোঃ হৃদয় সব দেখে শুনে এসে আসামী মোঃ সজিবকে বলে, “ইতে আছে, চল এখন যাই ইতারে মারি ফেলাই।” তখন আসামী মোঃ সজিব বলে এখন নয় পরে বলব। এরপর আসামীগণ কিছুক্ষণ আড্ডা দেওয়ার পর যার যার মত চলে যায়। গত ০১/০৫/২০২০ ইং তারিখও ইফতারের পর প্রতিদিনের ন্যায় আসামী মোঃ সজিব, মোঃ হৃদয় ও মোঃ ইয়াছিন চা সিগারেট খাওয়ার জন্য ঝণক প্লাজার পাশে আলী প্লাজার সামনে যায়। দীর্ঘক্ষণ আসামীগণ আলী প্লাজার সামনে ছিল। এরমধ্যে ০১/০৫/২০২০ ইং তারিখ দিবাগত রাত অনুমান ০১.০০ ঘটিকার সময় আসামী মোঃ সজিব আসামী মোঃ হৃদয় ও মোঃ ইয়াছিনকে ভিকটিম মাহাফুজের দোকানে পাঠায় এবং আসামী মোঃ সজিব নিজ বাড়ীতে গিয়ে একটা শপিং ব্যাগে করে একটা নাইলনের রশি, কিছু কাপড়ের রশি, কিছু সুতলি রশি ও একটি কালো স্কস ট্যাপ নিয়ে আলী প্লাজার সামনে আসে। আসামী মোঃ হৃদয় ও মোঃ ইয়াছিন ভিকটিম মাহাফুজের দোকান থেকে এসে আসামী মোঃ সজিবকে জানায় যে, “মাহফুজ দোকানের ভিতর ঘুমাইতেছে।” তখন মোঃ সজিব আসামী মোঃ হৃদয় ও মোঃ ইয়াছিনকে বলে, “চল মাহাফুজকে আজকে মেরে ফেলব।” তখন আসামী মোঃ সজিব, মোঃ হৃদয় ও মোঃ ইয়াছিন ০৩ জন মিলে হেঁটে হেঁটে ফুট ওভার ব্রিজ পার হয়ে ফ্রিপোর্ট মোড়স্থ ভিকটিম মাহফুজের দোকানের পেছনে আসে। এরপর আসামীগণ চতুর্দিকে কেউ আছে কিনা দেখার পর ভিকটিম মাহাফুজের দোকানের পেছনের ত্রিপল আল্গা করিয়া আসামী মোঃ সজিব মোবাইলের লাইট জ¦ালিয়ে প্রথমে দোকানে প্রবেশ করে। আসামী মোঃ সজিবের পেছনে পেছনে আসামী মোঃ হৃদয় ও মোঃ ইয়াছিন দোকানে প্রবেশ করে। আসামী সজিব মাহাফুজকে লাথি দিয়ে ঘুম থেকে তুলে। এরপর আসামী মোঃ সজিব আসামী মোঃ হৃদয়কে মাহাফুজের গলা চেপে ধরার জন্য বলে এবং আসামী মোঃ ইয়াছিনকে হাতপা চেপে ধরার জন্য বলে। তারা দুইজনে আসামী মোঃ সজিবের কথামত ভিকটিম মাহাফুজের গলা ও হাত পা চেপে ধরলে আসামী মোঃ সজিব ভিকটিম মাহাফুজের মুখে একটি রুমাল ডুকাই দিয়া শপিং ব্যাগে করে আনা স্কচ ট্যাপ মুখে লাগিয়ে দেয়। অনেকক্ষন ধস্তাধস্তির পর ভিকটিম মাহাফুজ অজ্ঞান হয়ে গেলে আসামী মোঃ সজিব শপিং ব্যাগ থেকে কাপড়ের রশি ও সুতলি রশি বের করে ভিকটিম মাহাফুজের দুই হাত ও দুই পা বেঁধে ফেলে। ইতিমধ্যে ভিকটিম মাহাফুজ মারা যায় বলিয়া আসামীদের মনে হয়। এরপর আসামী মোঃ সজিব, আসামী মোঃ হৃদয়কে মাহাফুজের স্যান্ডেলগুলি পরাই দেওয়ার জন্য বলে এবং আসামী মোঃ সজিব নাইলনের রশিটা নিয়ে ভিকটিমের মাহাফুজের দোকানের পাশর্^বর্তী কলাপসিবল গেইটের উপরে ঝুলাই দেয়। এরপর আসামীগণ ভিকটিম মাহফুজের লাশকে নিয়ে কলাপসিবল গেইটের সাথে ঝুলানো রশির সাথে ভিকটিম মাহাফুজের গলায় ফাঁস লাগিয়ে দেয়। তখন আসামী মোঃ সজিব আসামী মোঃ হৃদয় ও মোঃ ইয়াছিনকে বলে সবাই মনে করবে মাহফুজ আত্মহত্যা করিয়াছে। পরবর্তীতে আসামী মোঃ সজিব ভিকটিম মাহাফুজের দোকান হইতে একটি সাদা রংয়ের মোড়া এনে ভিকটিম মাহাফুজের পায়ের নিচে রাখে। তিন জন আসামী ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করিয়া বিজ্ঞ আদালতে দোষ স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে। মামলার তদন্ত অব্যাহ আছে।



Advertisement

রিলেটেড নিউজ

শিক্ষকের হাতে নির্যাতনের শিকার ছাত্র সোস্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল

১৪:২৬, মে ২৮, ২০২০

শিক্ষকের হাতে নির্যাতনের শিকার ছাত্র সোস্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল


বড়াইগ্রামে বিধবা ধর্ষণ চেষ্টার সেই গ্রাম পুলিশ গ্রেফতার

১৯:২৪, মে ২৭, ২০২০

বড়াইগ্রামে বিধবা ধর্ষণ চেষ্টার সেই গ্রাম পুলিশ গ্রেফতার


কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুতের ভৌতিক বিলের খপ্পরে প্রায় ৫ লাখ গ্রাহক

২৩:২৪, মে ১৩, ২০২০

কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুতের ভৌতিক বিলের খপ্পরে প্রায় ৫ লাখ গ্রাহক


পূর্বের শত্রুতার জের ধরে মারধর

১৭:৩৪, এপ্রিল ২৬, ২০২০

পূর্বের শত্রুতার জের ধরে মারধর


Advertisement
Advertisement

আরও পড়ুন

সৈয়দপুরে ওসির নেতৃত্বে মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পিকআপসহ ২ ডাকাত গ্রেফতার

২০:২৮, জুলাই ১, ২০২০

সৈয়দপুরে ওসির নেতৃত্বে মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পিকআপসহ ২ ডাকাত গ্রেফতার


কালের আর্বতণে হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক অপরুপ শিল্পী বাবুই পাখি ও তার দৃষ্টিনন্দন বাসা

১৯:৫৮, জুলাই ১, ২০২০

কালের আর্বতণে হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক অপরুপ শিল্পী বাবুই পাখি ও তার দৃষ্টিনন্দন বাসা


১৯:৩৪, জুলাই ১, ২০২০

"ঘুড়ি উড়ানো - বিনোদনের এক অনন্য মাত্রা"


করোনায় আক্রান্ত কাউন্সিলর সাবের আহমদ

০০:২২, জুন ২৭, ২০২০

করোনায় আক্রান্ত কাউন্সিলর সাবের আহমদ


জবিতে ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

২৩:০৭, জুন ১৯, ২০২০

জবিতে ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি