image

মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখার পরামর্শ  

image

আপনার সম্পর্ক,কাজকর্ম,ধর্মবিশ্বাস এবং আপনার সামাজিক মেলামেশা সবই প্রভাবিত হতে পারে। কঠিন অসুখ আপনাকে বিষণ্ন, চিন্তিত, ভীত বা ক্রুদ্ধ করে তুলতে পারে।আর  ‘সাইকোলজিক্যাল ডিজরাপশন’ বেড়েছে। বিশেষ করে মানুষের মধ্যে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার ভয়, কাছের মানুষের সংক্রমণের আশঙ্কা, মৃত্যুশঙ্কা, জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং আর্থিক সংকটসহ নানা কারণে মানসিক চাপ তৈরি হচ্ছে। করোনা আক্রান্ত রোগী, ঘরবন্দী মানুষ এবং জরুরি প্রয়োজনে যেসব পেশাজীবী ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন তারা সবচেয়ে বেশি মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। এ ছাড়া করোনার কারণে আতঙ্কগ্রস্ত এবং হতাশার শিকার হয়ে অনেকেই ইতিমধ্যে আত্মহত্যা করেছেন।আর করোনার কারণে মানুষ বাধ্য হয়ে একে অন্যের কাছ থেকে সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখছেন৷ এর প্রভাব পড়ছে মানসিক স্বাস্থ্যে৷ বেশি চাপে পড়ছেন শিশু, বয়স্ক আর নারীরা৷গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে অজানা নতুন করোনা ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে৷ কোন প্রতিষেধক ও ওষুধ না থাকায় এর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দেয়া হয় সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার উপর,সমস্যা হল মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যে শারীরিক সংস্পর্শের প্রয়োজন রয়েছে৷ কেননা স্পর্শ শরীরে বিভিন্ন হরমনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে, যা প্রয়োজনীয় অনুভূতির জন্ম দেয় ও মানসিক চাপমুক্তি ঘটায়৷ ইতিবাচক স্পর্শে মানুষের শরীরে ডোপামিন, সেরোটোনিন, অক্সিটোসিন নামের হরমন নিঃসরণ বাড়ায় এবং করটিজল নিঃসরণ কমায়, যার ফলে ইতিবাচক অনুভূতি সৃষ্টি হয়৷ অনুপ্রেরণা, সন্তুষ্টি, নিরাপত্তা, মানসিক চাপমুক্তি ইত্যাদি৷

 

দীর্ঘদিন সয়স্পর্শ এড়িয়ে চলা মানসিক দূরত্ব তৈরি করতে পারে৷ শিশুর সম্মিলিত বিকাশ বাধাগ্রস্থ হতে পারে৷ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমাতে পারে এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপ তৈরি করতে পারে৷’’এর ফলে শিশু এবং বয়স্করা সবচেয়ে বিপদাপন্ন এবং নিরাপত্তাহীনতায় থাকে ।

 

বয়স্করা এই পরিস্থিতিতে শিশুর মতো অবুঝ আচরণ করতে পারেন৷ শিশুরা খিটখিটে বা অস্থির হয়ে উঠতে পারে৷ তাদের প্রতি সংবেদনশীল হওয়ার ৷এই সময়ের নারীদের স্বাস্থ্যের দিকেও বিশেষ নজর রাখতে হবে  ‘‘নারীর মাসিক পূর্ব বিষণ্ণতা, প্রসব উত্তর বিষণ্ণতা পঞ্চাশোর্ধ নারীদের মাসিক পরবর্তী উপসর্গ বা বিষণ্ণতা, হরমোনে ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদি বিষয়গুলো বিশেষ মনযোগের দাবি রাখে৷ তাদের প্রয়োজনগুলোকে অগ্রাধিকার দিন৷ সংবেদনশীল আচরণ করুন এবং সহযোগিতা করুন৷ নারীর প্রতি সব সহিংসতা পরিহার করুন,’’

 

মানসিক চাপ দূর করতে বাগান করা এবং পোষা পশু-পাখির আদর-যত্ন,  নিয়মিত ঘুম, খাবার গ্রহণ, শরীর চর্চা, ভার্চুয়ালি সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখা, সুস্থ বিনোদন , বাগান করা এমনকি রান্নাও মানসিক চাপ কমিয়ে রাখতে সাহায্য করে৷লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে ২০২০ সালের করোনা মহামারী নিয়ে এ মানসিক সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করছে ২০৩০ সালের মধ্যে এটি মারাত্মক ব্যাধিতে রুপান্তরিত হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে প্রতি ৪০ সেকেন্ডে ১ জন মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে আত্মহত্যা করে প্রায় আট লাখ মানুষ। আত্মহত্যাজনিত মৃত্যুর অধিকাংশই প্রতিরোধযোগ্য। অধিকাংশ ব্যক্তিই আত্মহত্যার সময় কোনো না কোনো মানসিক রোগে আক্রান্ত থাকেন। সাধারণত সেটা গুরুত্ব দেওয়া হয় না বা মানসিক রোগ নিশ্চিত হলেও যথাযথ চিকিৎসা করা হয় না বলেই আত্মহত্যা বেড়ে যাচ্ছে। মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে আত্মহত্যার এ হার কমিয়ে আনা সম্ভবমানসিক রোগ নিয়ে  অজ্ঞতা, অসচেতনতা আর কুসংস্কারের ফলে মানসিক রোগ বলে কোনো কিছুর অস্তিত্বই স্বীকার করতে চান না অনেকে। গায়েবি আওয়াজ শোনা, ভ্রান্ত কিন্তু দৃঢ় বিশ্বাস, অহেতুক সন্দেহ, আচার-আচরণ বা কথাবার্তার অস্বাভাবিক পরিবর্তন, কনভার্সন ডিসঅর্ডার (যা হিস্টিরিয়া বা মূর্ছারোগ নামেই বেশি পরিচিত)-এর উপসর্গগুলোকে জিন-ভূতের আছর,জাদু-টোনা-তাবিজ-আলগা বাতাসের প্রভাব বলেই বিশ্বাস করেন অনেকে। আত্মীয়স্বজন এসব সমস্যায় আক্রান্ত হলে তারা চিকিৎসাও করান তেল-পড়া, পানি-পড়া, তাবিজ, ঝাড়-ফুঁক, ‘শিকল থেরাপি’ ইত্যাদির মাধ্যমে। অনেকের কাছে মানসিক রোগের উপসর্গগুলো বয়সের দোষ, বিয়ের জন্য টালবাহানা, ঢং বা ভং ধরা। চিকিৎসার ব্যাপারে এদের বিশ্বাস- ‘মাইরের উপর ওষুধ নাই।’ কখনো কখনো শারীরিক উপসর্গ যে মানসিক রোগের কারণে হতে পারে- তাও অনেকে মানতে চান না। ফলে, মানসিক সমস্যার প্রতি গুরুত্ব না দিয়ে শারীরিক উপসর্গ নিয়েই ব্যতিব্যস্ত থাকেন তারা।এতসব কুসংস্কার ও অজ্ঞতার বেড়াজাল ডিঙিয়ে যারা মানসিক রোগ চিকিৎসার আওতায় আসেন, তাদেরও বড় একটা অংশ ওষুধ নিয়ে নানান বিভ্রান্তিতে সঠিক চিকিৎসা করান না। পঞ্চাশের দশকের শুরুর দিকে মানসিক রোগ চিকিৎসার আধুনিক ওষুধ আবিষ্কৃত হয়। এর পর সময়ের গতির সঙ্গে মানসিক রোগ চিকিৎসারও অগ্রগতি সাধিত হয়, আবিষ্কৃত হয় নতুন নতুন ওষুধ, সেসব ওষুধের সফল প্রয়োগ মানসিক রোগ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। কিন্তু আমাদের দেশে মানসিক রোগের ওষুধ সম্পর্কে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এখনো বিদ্যমান।

 

হোমিওসমাধানঃমানসিকভাবে সুস্থতার মানে কি আবেগ-অনুভূতির শূণ্যতা ?   

 

হ্যানিম্যান প্রমাণ করে গেছেন যে, শারীরিক কোন রোগের কুচিকিৎসাই হলো অধিকাংশ মানসিক রোগের মূল কারণ,মানসিক রোগীর জন্য প্রাথমিক ভাবে যেইসব মেডিসিন লক্ষণের উপর আসতে পারে.নাক্স ভুমিকা,থুজা,সালফার অরাম মেট, প্লাটিনা, পালসেটিলা, স্ট্র্যামোনিয়াম, ভিরেট্রাম, ইগ্নেসিয়া, নেট্রাম মিউর, এসিড ফস,ল্যাকেসিস, চায়না, বিউফো রানা, ককুলাস ইন্ডিকা,ব্যারাইটা মিউর সহ আরো অনেক মেডিসিন আসতে পারে।

 

★পৃথিবী জুড়েই যৌনরোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে  এই যৌনরোগ থেকে ক্যান্সার, অন্ধত্ব, জন্মগত ত্রুটি, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই যৌনরোগ ও এর কারণে সৃষ্ট অন্যান্য রোগগুলো থেকে বাঁচতে শুরুতেই এর চিকিৎসা জরুরি।

 

নিচের উপসর্গগুলো কারো ভেতর দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।সাধারণত যৌনাঙ্গ থেকে তরল নিঃসৃত হওয়া, মূত্রে জ্বালাভাব, শারীরিক সম্পর্কের সময়ে ব্যথা বা রক্তপাত, তলপেটে ব্যথা, মলদ্বার দিয়ে রক্তপাত এবং গলায় সংক্রমণ-এ সব উপসর্গের কোনোটি দেখলে অবশ্যই যৌনরোগের পরীক্ষা করানো উচিত। এ ছাড়া এ বিষয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। কারণ বেশিরভাগ যৌনরোগই উপযুক্ত চিকিৎসায় সম্পূর্ণ সেরে ওঠে। কিন্তু চিকিৎসায় অবহেলা করলে তা ভবিষ্যতে রোগের শঙ্কা বাড়িয়ে দিতে পারে।আজকের বিষয় নিয়ে  কলাম লিখেছেন, বাংলাদেশের বিশিষ্ট  গবেষক বাংলাদেশ রোগী কল্যাণ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ডা.এম এম মাজেদ  তার কলামে লিখেন..সুস্থ শরীর নিয়ে আনন্দময় জীবনযাপন করাই আমাদের কাম্য। এখন প্রশ্ন কীভাবে জীবনযাপন করলে জীবন আনন্দময় হয়ে উঠবে, অর্থাৎ আমাদের লাইফ স্টাইল কী হবে?

 

লাইফ স্টাইল হল অভ্যাস, দৃষ্টিভঙ্গি, পছন্দ, সামাজিক এবং রাজনৈতিক চিন্তা-ভাবনা, সংস্কৃতি, সর্বোপরি অর্থনৈতিক অবস্থা। এইসব মিলে তৈরি হয় লাইফ স্টাইল। এই আনন্দময় জীবনযাপন থেকেই সৃস্টি, বর্তমানের যৌন সমস্যা, যা একটি মারাত্মক সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে। দিনদিন এ রোগীর হার বেড়ে যাচ্ছে।এই সমস্ত রোগীদের চিকিৎসা নিয়ে আছে অনেক জটিলতা। দেশের আনাচে কানাচে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন চমকপ্রদ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান। অনেকেই এসব রং বেরঙের প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসা নিয়ে হচ্ছে প্রতারিত। আমার কাছে অনেক রোগীরা আসে তাদের কথা শুনে মনে হচ্ছে অনেকে এ রোগ নিয়ে খুবই উদ্বেগে আছেন। অনেকে এ সমস্যানিয়ে বিচলিত! কোথায় গেলে ভাল চিকিৎসা পাবে তা কেউ বুঝতে পারছেনা।আসলে যৌন সমস্যা কোন সমস্যাই নয়। একটু বুঝে চললে আর জীবনটাকে নিয়মের ভিতরে আনলে এ রোগ কোন রোগই নয়। তবে জীবন চলার পথে কিছু সমস্যা থাকে, আমরা নিজেরাই কিছু সমস্যা শরীরে সৃষ্টি করি। যার ফলে আমরা হতাশায় ভুগী আর ভাবি হয়ত এ রোগের কোন চিকিৎসা নাই। কিন্তু এখনো যদি আমরা জীবনটাকে সুন্দর করে সাজাতে পারি আর সমস্যার কারনে ভাল কোন ‘অর্গাণন’  অনুসরনকারী হোমিও চিকিৎসকের শ্মরনাপন্ন হই,  তা’হলে  আমরা একটি সুন্দর সুখী নীড় তৈরী করতে পারব।

 

আজকাল রাস্তা ঘাটে চলাফেরা করলে দেখি বাহারী রং এর বাহারী সব চিকিৎসার পোষ্টার বা সাইনবোর্ড। বিশেষ করে যৌন সমস্যা নিয়ে অনেক পোষ্টার দেখা যায়।   তারা ৭ দিনের ভিতরে সব ঠিক করে দেবে বলে চ্যালেঞ্জ, গ্যারান্টি, দিয়ে প্রচারপত্র বিলি করে। নিরীহ সাধারণ মানুষকে আকর্ষণ করার লক্ষ্যে পোষ্টারে- “বিফলে মূল্য ফেরত জীবনের শেষ চিকিৎসা” এসব কথার উল্লেখ করতেও দ্বিধাবোধ করেনা।আসলে মূল কথা হলো আমাদের দেশের বেশীরভাগ পুরুষেরা এই সমস্যায় ভুগছে। 

 

মেয়েদের ভিতরেও এ সমস্যা আছে তবে খুব কম। আমরা চিকিৎসা করার সময় দেখি মেয়েদের সংখ্যা অনেক কম এ হিসেবে “সেক্স” সমস্যাটা কিছুই না। তবে বিশেষ কিছু কারনে সমস্যা হয়ে থাকে। মূলতঃ যেসব কারনে সমস্যা হয়ে থাকে সেগুলো হচ্ছে-

 

*  মানসিক দুশ্চিন্তা, মানসিক হতাশা, মানসিক ভীতি।

* অতিরিক্ত হস্ত মৈথুন।

* সময়মত বিবাহ না করা।

* যৌন শক্তি বাড়ানোর নামে “ওয়ান টাইম মেডিসিন” সেবন করা।

*  অতিরিক্ত ধুমপান করা।

*. স্বামী স্ত্রীর মাঝে বহুদিন সম্পর্ক ছিন্ন থাকা।

* দীর্ঘদিন যাবৎ কঠিন আমাশয় ও গ্যাষ্টিক রোগে ভুগা।

*  সংগদোষ অর্থাৎ খারাপ বন্ধুদের কারনে খারাপ কাজে সম্পৃক্ত হওয়া, পর্ণ মুভি দেখা ও এ জাতীয় চিন্তা      করা।

* অতিরিক্ত সপ্নদোষ হওয়া।

*  ডায়াবেটিস হওয়ার কারনে।

* মোটা হওয়ার কারনে।

* পরিবারে উদাসীনতা, যারা কায়িক পরিশ্রম করে মানে অলস যারা।

* প্রেম করে বিয়ের আগে অবাধ মেলামেশা করা।

* কোন অনুশাসন না মেনে চলা।মূলত এইসব কর্মকান্ডে আরও সমস্যা আছে। তবে এই সমস্যাগুলো আমরা চিকিৎসা করার সময় রোগীদের মাঝে দেখি। যতই গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হোক না কেন হোমিওপ্যাথি লক্ষন দিয়ে চিকিৎসা দিতে পারলে এই রোগী আরোগ্য হওয়া সম্ভব।

 

হোমিও সমাধানঃ-

 

রোগ নয় রোগীকে চিকিৎসা করা হয়। যৌন সমস্যার রোগীদেরকে একজন অভিজ্ঞ অর্গাণন অনুসরনকারী  চিকিৎসক নির্বাচন করতে হবে যিনি সঠিক লক্ষন অথবা “মাইজমেটিক” অনুসরন করে চিকিৎসা সেবা প্রধান করে, তাহলে  হোমিওপ্যাথিতে আরোগ্য হওয়া সম্ভব। কিন্তু আফসোসের বিষয় অনেক হোমিও চিকিৎসক ও হোমিও কলেজ গুলোর শিক্ষক রোগীদেরকে পেটেন্ট, টনিক, মিশ্র প্যাথি দিয়ে চিকিৎসা দেয় আর  নিজেদেরকে “ক্লাসিকাল হোমিওপ্যাথ” বলে থাকেন। এসব ডাক্তার গনকে ডা.স্যামুয়েল হানেমান বলে থাকেন শংকর জাতের হোমিওপ্যাথ। তাই নিজেদেরকে যদি হ্যানিমেনের উত্তরসূরী দাবি করে থাকি তাহলে সঠিক লক্ষণ দিয়ে চিকিৎসা দিতে হবে। অভিজ্ঞ চিকিৎসক গন যে সব মেডিসিন ব্যবহার করে থাকে, এসিডফস, এগনাস কাষ্ট, অসগোন্ধা, ক্যালাডিয়াম স্যাংক, ডামিয়ানা, জিনসিং, নুপারলোটিয়াম, নাক্সবোম, লাইকোফোডিয়াম, সিলিনিয়াম সহ অসংখ্য হোমিও মেডিসিন লক্ষনের উপর আসতে পারে।